sis

0
117

গত চারদিন টানা আমার পেশাগত ডিগ্রী বিএড পরীক্ষা চলমান থাকায় ফেসবুক,ম্যাসাঞ্জারে সময় দিতে পারিনি , অংশগ্রহণ করতে পারিনি বংশীকুন্ডা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত জমকালো অভিষেক প্রোগ্রামটিতে এজন্য আমি সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।ইতোমধ্যে একটি নিউজকে কেন্দ্র করে ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ম্যাসাঞ্জারে বেশ বিতর্ক দেখতে পেলাম,যৌক্তিক বিতর্কের সাথে সহমত পোষণ করছি।তবে যেটা অযৌক্তিক মনে হয়েছে আমার কাছে একটি নগন্য বিষয়কে জগন্যভাবে উপস্থাপনের পাঁয়তারা করে কেউ কেউ স্নেহাশিষ জেনারুলকে জবাব দিহিতার কথা বলছেন।জেনে রাখা ভালো জবাবদিহিতা করার কথা ভাবতে হয় বেহায়াদের বেলায় কোন বিবেকবান মানুষের জন্য এসব দরকার হয়না।আশাকরি সবাই একমত হবেন জেনারুল এমন কেউ না। জেনারুল সম্পর্কে “জবাদিহিতা দরকার” এই শব্দটি আমার কাছে(সবার ক্ষেত্রে নয়) অভিজ্ঞ ব্যক্তির অনভিজ্ঞ শব্দচয়ন হিসেবেই ঠেকেছে।কারণ বুঝে নিতে হবে এটা স্যোসাল মিডিয়া।আজকে দশ জন বসে শব্দটি ব্যবহার করলে মনের ক্ষোভ প্রকাশ বলে ধরা যেতো।ম্যাসাঞ্জারে এসব বলায় ক্ষোভ নয় বরং কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করার হীনমন্যতা চিত্র ফুটে উঠেছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।মানুষ মাত্রই ভুল। জেনারুল ও ভুলের ঊর্দ্ধে নয়।তাই সে তার ভুল স্বীকার করে ইতোমধ্যেই ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে রেজিগনেশন দিয়ে দিয়েছে।তাই আশা করবো এই বিষয়টা নিয়ে বিজ্ঞ মহল এবার তেনা পেছানো থেকে দূরে থাকবেন।একটা জিনিস বুঝতে হবে দিনশেষে আমরা সবাই বংশীকুন্ডিয়ান।কল্যানমূখী রাষ্ট্র,এলাকা গঠণের নিমিত্তে কারো এক ভুলে তাকে ধূঁয়ে দেবার মানসিকতা থেকে আমাদেরকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে।বলার অপেক্ষা রাখেনা জেনারুলের নিউজটিতে কিছুটা বিতর্ক যেমন এসেছে পরিষদের জন্য সুনামও কিন্তু এসেছে।একবার চিন্তা করুন আমি আপনারা ছাড়া পত্রিকাটা তো অনেক মানুষ দেখছে তারা কি বুঝতে পারছে কে বাদ পড়ছে,কাকে ছবিতে দেয়া হয় নাই? তারা(পাঠক মহল) কিন্তু ছাত্রকল্যানের প্রোগ্রামটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে।সেই দিক থেকে তার নিউজ করাটা পুরো ব্যার্থ নয়।এইভাবেই বার বার জেনারুলের কলম চলবে আমাদের মঙ্গল,সুনামের জন্যই।তবে হে সে ভুল গুলো হয়েছে এগুলো যেনো আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য সবাইকে বিশেষ অনুরোধ রাখছি,সেই সাথে যারা সৃষ্ট ভুলের কারণে মনক্ষুন্ন হয়েছেন তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।মনে রাখতে হবে বর্জন সহজ অর্জন কঠিন! তাই চলুন সকল হিংসা বিদ্ধেষ ত্যাগ করে কাউকে মাইনাস না করে বরং সাথে নিয়ে জীবন যুদ্ধে প্রত্যেকে নিজ নিজ মানোন্নয়নের চেষ্টা করি।বংশীকুন্ডা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে এগিয়ে নিয়ে যাই বহুদূর। শুভকামনা সকলের জন্য।
লেখা – জীবন কৃষ্ণ সরকার
০৭/০৩/২০২২

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে