স্বামীর প্রতি স্ত্রীর আজব চিঠি,বিরাম চিহ্নের ভুলে যা হলো

0
601

স্ত্রী চিঠি লিখছে স্বামীর কাছে। কিন্তু, দাঁড়ি-কমা সম্বন্ধে কোন জ্ঞান না থাকায় ভুল স্থানে দাঁড়ি বসাতেই সেই প্রিয় চিঠি হয়ে গেল আজব চিঠি !
চিঠিটি হলো••••

” ওগো, সারাটা জীবন বিদেশেই কাটালে এই ছিল। তোমার কপালে আমার পা। আরো ফুলিয়া উঠিয়াছে উঠানটা। জলে ডুবিয়া গিয়াছে ছোট খোকা। স্কুলে যেতে চায় না ছাগলটা। সারাদিন ঘাস খাইয়া ঘুমাইয়া থাকে তোমার বাবা। বার মাস পেটের অসুখে ভুগিতেছে বাগানটা। আমে ভরিয়া গিয়াছে ঘরের চালটা। স্থানে স্থানে ফুটো হয়ে গিয়েছে গাভীর পেট। দেখিলে মনে হয় বাচ্চা দিবে করিম এর বাপ। রোজ দুই হালি করিয়া ডিম দেয় বড় বউ। রান্না করিতে গিয়া হাত পুড়াইয়া ফেলেছে কুকুর ছানাটা। সারাদিন লেজ নাড়িয়া খেলা করে বড় খোকা। দাড়ি কাটিতে গিয়ে গাল কাটিয়া ফেলেছে নুড়ীর মা। প্রসব বেদনায় ছটফট করিতেছে নুড়ীর বাপ। বার বার ফিট হইয়া যাইতেছে ডাক্তার। সাহেব আসিয়া দেখিয়া গিয়াছে। এমতাবস্থায় তুমি বাড়ী আসিবে না । আসিলে অত্যন্ত দুঃখিত হইব।

ইতি
তোমার বউ

এইবার একটু মিলিয়ে দেখুন তো ঐ স্ত্রী কি বুঝাতে চেয়েছিল স্বামীকে?

” ওগো, সারাটা জীবন বিদেশেই কাটালে। এই ছিল তোমার কপালে। আমার পা আরো ফুলিয়া উঠিয়াছে। উঠানটা জলে ডুবিয়া গিয়াছে। ছোট খোকা স্কুলে যেতে চায় না। ছাগলটা সারাদিন ঘাস খাইয়া ঘুমাইয়া থাকে। তোমার বাবা বার মাস পেটের অসুখে ভুগিতেছে। বাগানটা আমে ভরিয়া গিয়াছে। ঘরের চালটা স্থানে স্থানে ফুটো হয়ে গিয়েছে। গাভীর পেট দেখিলে মনে হয় বাচ্চা দিবে। করিম এর বাপ রোজ দুই হালি করিয়া ডিম দেয়। বড় বউ রান্না করিতে গিয়া হাত পুড়াইয়া ফেলেছে। কুকুর ছানাটা সারাদিন লেজ নাড়িয়া খেলা করে। বড় খোকা দাড়ি কাটিতে গিয়ে গাল কাটিয়া ফেলেছে। নুড়ীর মা প্রসব বেদনায় ছটফট করিতেছে। নুড়ীর বাপ বার বার ফিট হইয়া যাইতেছে। ডাক্তার সাহেব আসিয়া দেখিয়া গিয়াছে। এমতাবস্থায় তুমি বাড়ী আসিবে।না আসিলে অত্যন্ত দুঃখিত হইব।

ইতি
তোমার বউ।

সংগৃহীত পোস্ট।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে