মহিষখলা স্মৃতিসৌধ সুনামগঞ্জ।।Mhiskhola Smritisoudh।মহিষখোলা স্মৃতিসৌধ।।মহিষখলা স্মৃতি সৌধ।।

0
804

স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বাংলার দামাল ছেলেদের সম্মানের সাথে স্মরণ করে রাখতে গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু গান লিখেছিলেন। সেই গানে তিনি বলেছিলেন, ‘সবক’টা জানালা খুলে দাও না আমি গাইব, গাইবো বিজয়েরই গান, ওরা আসবে চুপি চুপি, যারা এই দেশটাকে ভালবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।’

গীতিকার যেন তাঁর গানে শহীদদের বার বার ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন। তাঁর গানের ভাবার্থে শহীদের মৃত্যু নেই, বেঁচে থাকবেন বাঙালির আবেগে অনুভূতিতে। আর কবির এ গানটির যথার্থই রূপ যেন পেয়েছে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার মহেষখলায় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে। উত্তর-দক্ষিণের উঁচু দেয়ালের দুই দিকে প্রায় ২৪ টি ছোট-বড় জানালা যেন নিজের অজান্তেই সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে গাওয়া গানের সুরে স্মৃতি ভাসে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, মহেষখলা নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত ১৮হাজার ৭’শ বর্গফুট জায়গা জুড়ে ১১নং সেক্টরের ১নং সাব-সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা মুক্তিসেনাদের স্মৃতি রক্ষার্থে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ ২০১২ সালে নির্মাণ করেছিল স্মৃতিসৌধটি। এর নির্মাণ ব্যয় হয়েছিলো এক কোটি নয় লাখ টাকা। সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমনের পরিকল্পনায় ছাতকের সন্তান স্থপতি রাজন দাস এই স্মৃতিসৌধটির আকর্ষণীয় নকশা করেছিলেন।

মহিষখলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করলেন জেলা প্রশাসক

মিডিয়া সেল: অদ্য ০৮/০৭/২০১৯ তারিখ সকাল ১১:০০ টায় ধর্মপাশা উপজেলাধীন মহিষখলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ জনাব মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্যরা এক মিনিট দাঁড়িয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নিরবতা পালন করেন। এসময় ধর্মপাশা উপজেলার উপজেলা নির্বাহীর অফিসার জনাব মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব আবু তালেব, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার জনাব রাহুল চন্দ, জনাব গাজালা পারভীন রুহি, জনাব মোঃ রিফাতুল হকসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্রঃ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রপত্রিকা।
সম্পাদকঃজীবন কৃষ্ণ সরকার।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে