মদন মোহন কলেজ- MMC College

0
518

মদনমোহন কলেজ (এমএমসি নামেও পরিচিত) হল সিলেটের একটি শীর্ষস্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি সিলেট শহরের লামাবাজার এলাকায় অবস্থিত।

ইতিহাস

১৮৯২ সালে সিলেট অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ কলেজ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তার ৪৮ বছর পর অর্থাৎ ১৯৪০ সালের ২৬ জানুয়ারি সিলেট শহরে লামাবাজার এলাকায় বাণিজ্য শাখায় অধ্যয়নের সুযোগ সংবলিত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মদনমোহন কলেজ প্রতিষ্ঠিত পায়। তৎকালীন সিলেটের শিক্ষানুরাগী মোহিনীমোহন দাস (১৮৮৯-১৯৪৪ খ্রি.) ও যোগেন্দ্রমোহন দাস (১৮৯৪-১৯৮৬ খ্রি.) তাদের পিতা মদনমোহন দাসের (১৮৫৬-১৯২৫ খ্রি.) স্মরণে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। তারা কলেজটি সিলেটের লামাবাজারে তাদের নিজেদের দান করা ৩.৩৭ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার প্রায় ৭৮ বছর পর ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট ‘সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা-২০১৮’ এর আলোকে কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।[১] বর্তমানে কলেজটি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপযোজন নিয়ে এ অঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বিভাগ ও অনুষদ

বিজ্ঞান অনুষদ সম্পাদনা
রসায়ন বিভাগ
পদার্থবিদ্যা বিভাগ
গণিত বিভাগ
পরিসংখ্যান বিভাগ
আইসিটি বিভাগ
ব্যবসা শিক্ষা অনুষদ
ব্যবস্থাপনা বিভাগ
অ্যাকাউন্টিং বিভাগ
অর্থ ও ব্যাংকিং বিভাগ
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ
অর্থনীতি বিভাগ
রাজনৈতিক বিজ্ঞান বিভাগ
উন্নয়ন গবেষণা বিভাগ
জৈব বিজ্ঞান অনুষদের
বোটানি বিভাগ
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
কলা অনুষদ
বাংলা বিভাগ
ইংরেজি বিভাগ
ইসলামী শিক্ষা বিভাগ
দর্শনশাস্ত্র বিভাগ
ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ

অবকাঠামো
একাডেমিক ভবন
বর্তমানে কলেজে বেশ কয়েকটি একাডেমিক ভবন রয়েছে। এ ভবনগুলো প্রধানত শ্রেণীকক্ষ, লাইব্রেরী ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মোহিনীমোহন ভবন, যোগেন্দ্রমোহন ভবন, এম. সাইফুর রহমান ভবন, একাডেমিক ভবন (প্রস্তাবিত), একাডেমিক ভবন তারাপুর ক্যাম্পাস।

লাইব্রেরী
কলেজটির একাডেমিক ভবনের নিচতলার উত্তরাংশে সুবৃহৎ গ্রন্থাগার রয়েছে, যেখানে প্রায় পঁচিশ হাজার দুষ্প্রাপ্য ও গবেষণাধর্মী গ্রন্থসমাবেশ রয়েছে।

বিঃ দ্রঃ উপরের লেখাটি বিশ্ব মুক্তকোষ উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে তুলে ধরা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে