এক নজরে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন।। বংশীকুন্ডা।।বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন।।Bongshikunda South UP।।বংশীকুণ্ডা।।বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন।।দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন।।২ নং দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন।।

0
1057

এই পাতাটি সম্পাদনা করেছেন মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের কৃতিসন্তান, হাওর সাহিত্য উন্নয়ন সংস্থা (হাসুস) বাংলাদেশ প্রধান,কেন্দ্রীয় হাওরসাহিত্য গণপাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা,মধ্যনগর দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক,হাওর বিষয়ক হাওরের একমাত্র মুক্তকোষ হাওরপিডিয়ার সম্পাদক, হাওরকবি জীবন কৃষ্ণ সরকার।

বংশীকুন্ডা (দঃ) ইউনিয়নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

হাওর বাওর,সংস্কৃতির রাজধানী খ্যাত সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলাধীন ০২ নং বংশীকুন্ডা (দঃ) ইউনিয়ন অবস্থিত যার আয়তন ৭৩ বর্গ কিলোমিটার। এর পূর্বে তাহিরপুর উপজেলাধীন শ্রীপুর (দঃ) ইউনিয়ন, পশ্চিমে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন, উত্তরে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বংশীকুন্ডা (উঃ) ইউনিয়ন ও দক্ষিণে চামরদানী ইউনিয়ন অবস্থিত। ইউনিয়নটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে রামসার সাইট ঘোষিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ও সম্পদে ভরপুর সম্ভবনাময় হাওর পর্যটন কেন্দ্র “টাংগুয়ার হাওর” এর দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। জমিদারী শাসন আমলে এটি একটি পরগনা ছিল এবং আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে এর কার্যক্রম চলত।

ইউনিয়নের নামকরণ: বংশীকুন্ডা নামটি এসেছে অত্র অঞ্চলের একসময়ের জমিদার বংশী বদন চৌধুরীর “কুন্ড” বা “জলাধার” নামানুসারে। পূর্বে বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ এই দুটি ইউনিয়ন একত্রে বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন ছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়নটির সীমানা বড় বিধায় একস্থানে বসে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভবনা বিধায় এটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। একটি হলো ০১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন আর অপরটি ০২ নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই ০২ নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন ৪৬ টি গ্রাম নিয়ে অবস্থিত। এছাড়াও এই ইউনিয়নের মধ্যেদিয়ে বয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী “মনাই নদী”। যে নদীতে একসময় বর্ষাকালে নৌকা বাইচ হতো, নদীরপাড়ে জমতো গ্রাম্য মেলা। এছাড়াও ছোটবড় ৮ টি বিল, ৪টি খাল, ১টি হাওড় ও ০২টি নদী রয়েছে এই ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে যুগে যুগে অনেক গুনীব্যক্তিজন জন্মগ্রহণ করেছেন যার মধ্যে প্রথমদিকে বংশী বদন চৌধুরী, পরবর্তীতে মরহুম আরমুজ আলী তালুকদার, মরহুম আইয়ুব আলী তালুকদার, মরহুম আক্কেল আলী তালুকদার, মরহুম আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মোঃ আবুল হোসেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন সময়ে সচিব মরহুম আঃ গণি সাহেব প্রমূখ। বর্তমান প্রজন্মে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে তথ্য সচিব জনাব মুরতুজা আহম্মেদ, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি আব্দুল বাতেন,ইউএনও আশিকনূর,এএসপি সম্রাট তালুকদার,এএসপি ডলি রাণী সরকার প্রমূখ ব্যক্তিবর্গ এই ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও এই ইউনিয়নে রয়েছেন অসংখ্য কবি, লেখক।লেখক, কবিদের মধ্যে ঔপন্যাসিক মিরাজ উদ্দিন,ছড়াকার মঞ্জুর মোহাম্মদ,হাওরকবি জীবন কৃষ্ণ সরকার,জহিরুল ইসলাম,গল্পকার জেনারুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।রয়েছে গুনি শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, দাতা, বাউল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।সাংবাদিকতায় রয়েছে আল-আমিন আহমদ সালমান। ইউনিয়নটি হাওর অঞ্চলে অবস্থিত বিধায় তাদের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি যথা: ধামাইল, জারী, সারি ও বাউলগান। এই ইউনিয়নে রয়েছে বিভিন্ন অলি আউলিয়ার মাজার শরীফ। রয়েছে ২ টি কলেজ, ০২টি হাইস্কুল, ১টি দাখিল মাদ্রাসা, ৩১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুল ও বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র। এছাড়াও হাওর ভিত্তিক দেশের প্রথম পাঠাগাগার “কেন্দ্রীয় হাওরসাহিত্য গণপাঠাগার” টি ও রয়েছে এই ইউনিয়নেই।পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করেছেন “হাওরসাহিত্য” র উদ্ভাবক, হাওর সাহিত্য উন্নয়ন সংস্থা (হাসুস) বাংলাদেশ প্রধান,হাওরকবি জীবন কৃষ্ণ সরকার। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে বংশীকুন্ডা (দঃ) ইউনিয়ন আজও সমুজ্জল।

তথ্য সহায়তাঃ Bongshikundasouthup.sunamganj.gov.bd

বর্তমান চেয়ারম্যানঃ রাসেল আহমদ-০১৭৪০৮৯৮৩৩২
সদ্য সাবেক চেয়ারম্যানঃ আজিম মাহমুদ-০১৭৩৭৪৮১৬৯২
পোষ্ট কোডঃ ২৪৫৬

(বিঃ দ্রঃ তথ্য সংগ্রহ করে সাল সহ তুলে ধরা হবে।)

গ্রাম পুলিশ ও আনসার ভিডিপির তালিকা

পরিবার পরিকল্পনাকর্মীর তালিকা

 

ওয়ার্ড ভিত্তিক গ্রামের তালিকা


তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া,বংশীকুন্ডা সাউথ ইউপি ওয়েবসাইট

ইউডিসি পরিচালকঃ অমিত হাসান রাজু-01750091200
জন্মনিবন্ধন,নিবন্ধন সংশোধন সহযোগিতাঃ মোঃ আজিজুল ইসলাম – 01937442153
Facebook: S.M Azizul Islam

রংচী হিজল বাগান।।হিজল বাগান রংচী

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচী গ্রামকে বাঁচিয়ে রাখা এই হিজল বন এখন বিপন্ন। প্রায় ৪০০ পরিবারের এই গ্রামের পত্তন হয়েছে মূলত হিজল বনটিকে ঘিরেই। কারণ, ভর বর্ষায় অথৈ জলের ঢেউ, কিংবা অতি বৃষ্টি, বন্যা, ঝড় ও যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে গ্রামটিকে বুক পেতে সুরক্ষা দিয়েছে এই বন। টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রান্তঘেঁষা এই গ্রাম যাতায়াত ব্যবস্থার দিক থেকেও দুর্গম। জেলা বা উপজেলা সদর থেকে সরাসরি কোনো সড়ক যোগাযোগ নেই। বছরে ৬ থেকে ৮ মাস পানিবন্দি থাকে গ্রামের মানুষ।

মোটা দাগে এই হিজল বনের সৌন্দর্য বছরে প্রধানত দু’রকম। বর্ষায় গলাসমান পানিতে ডুবে থাকা গাছে গাছে পুষ্পসম্ভারের বিরল সৌন্দর্য। আর শুকনো মৌসুমে সবুজের পটভূমিতে কচি পল্লবে মোড়ানো নির্জন হিজল বনের মৌন-মুখর একান্ত মুহূর্তগুলো। সৌন্দর্যের বিচারে কোনোটাই কম যায় না। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন এই বন অন্তত ৭০/৮০ বছরের পুরোনো। হিজল বনটি সংরক্ষণে এই পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও জানান তারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রংচী গ্রামের দক্ষিণে নিশ্চিন্তপুর গ্রামের পূর্বদিকে প্রায় এক কিলোমিটার আয়তনের আরেকটি হিজল-করচের বাগান ছিল। ‘৭১-পরবর্তী সময়ে সেটি অযত্ন, অবহেলা ও অসচেতনতায় বিলুপ্ত হয়েছে। রংচীর বনটির ক্ষেত্রেও একই পরিণতির আশঙ্কা করছেন প্রকৃতি বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করেন, টাঙ্গুয়ার হাওর রামসার সাইট হিসেবে বিবেচিত হলেও হাওরের প্রান্তিক এ সব হিজল-করচের বন নিয়ে কেউ খুব একটা মাথা ঘামান না। স্থানীয় গ্রামবাসী জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ থেকে আন্না ও কলমা বিল ব্যক্তি ইজারায় হস্তান্তর হওয়াকেও ইতিবাচক মনে করছেন না। সচেতন গ্রামবাসী অনেকেই টাঙ্গুয়ার হাওরের সকল প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রে রামসার সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন দেখতে চান।

বিপন্ন এ বনটি বাঁচিয়ে রাখতে হলে গাছগুলোর গোড়া বাঁধাই, নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি, চাষাবাদ বন্ধ করা ও নতুন গাছ সৃজনসহ নানামুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। সর্বোপরি বনের ভেতর অবাধ যাতায়াতও বন্ধ করতে হবে। তাহলেই বনটি বেঁচে থাকবে তার নিজস্বতার মধ্য দিয়ে।

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক সমকাল

বিঃ দ্রঃ তথ্য সংগ্রহ চলছে।প্রয়োজনে বার বার তথ্য আপডেট করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে