কবি দিলওয়ার।দিলওয়ার খান।Dilwar Khan।Poet Dilwar

0
611

বিঃদ্রঃ লেখাটি বিশ্ব মুক্তকোষ উইকিপিডিয়া হতে তুলে ধরা হয়েছে।

কবি দিলওয়ার (১ জানুয়ারি, ১৯৩৭ – ১০ অক্টোবর, ২০১৩) বাংলাদেশের একজন অন্যতম প্রধান কবি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনের কথা তার কবিতায় স্বত:স্ফূর্তভাবে উঠে এসেছে বলে তাকে “গণমানুষের কবি” বলা হয়।

জন্ম শৈশব ও শিক্ষা
কবি দিলওয়ার ১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলাস্থ পৈতৃক নিবাস ‘খান মঞ্জিল’-এ জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতার নাম মৌলভী মোহাম্মদ হাসান খান এবং মাতার নাম মোছাম্মৎ রহিমুন্নেসা। ১৯৫২ সালে সিলেটের উত্তরসুরমার রাজা জিসি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করে এম সি কলেজ থেকে ১৯৫৪ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন দিলওয়ার।

পেশাঃ
শিক্ষকতার মাধ্যমে পেশাজীবনের শুরু হলেও এরপর রাজধানীতে এসে সাংবাদিকতা শুরু করেন কবি। ১৯৬৭ সালে সহকারী সম্পাদক হিসাবে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩-৭৪ সালে দৈনিক গণকণ্ঠেও সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন৷উদীচী ও খেলাঘর আসরের সিলেটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন।

ব্যাক্তিজীবন
১৯৫২ সালে সিলেটের উত্তরসুরমার রাজা জিসি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করে এম সি কলেজ থেকে ১৯৫৪ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন দিলওয়ার। শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেখানেই তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে। ১৯৬০ সালে পেশায় সেবিকা আনিসা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় দিলওয়ারের।

প্রকাশিত গ্রন্থ
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো- ‘ঐকতান, ‘পূবাল হাওয়া’, ‘উদ্ভিন্ন উল্লাস’, ‘বাংলা তোমার আমার’, ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’, ‘বাংলাদেশ জন্ম না নিলে’, ‘স্বনিষ্ঠ সনেট’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘দিলওয়ারের একুশের কবিতা’, ‘দিলওয়ারের স্বাধীনতার কবিতা’, ‘সপৃথিবী রইব সজীব’ ও ‘দুই মেরু, দুই ডানা’,’অনতীত পঙক্তিমালা’। ছড়াগ্রন্থ : ‘দিলওয়ারের শতছড়া’,’ছড়ায় অ আ ক খ’। এছাড়া প্রবন্ধ, গান, ও ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন তিনি।

কবি দিলওয়ার ১৯৮০ সালে কাব্য চর্চায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৮ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য তাকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

মৃত্যু
তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। ১০ অক্টোবর ২০১৩ সালে সিলেট নগরের ভার্থখলায় নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে