অসীম সাহা। Asim Saha

10
998

বিঃদ্রঃ লেখাটি বিশ্ব মুক্তকোষ উইকিপিডিয়া হতে তুলে ধরা হয়েছে।

অসীম সাহা (জন্ম: ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯) হলেন একজন বাংলাদেশী কবি ও ঔপন্যাসিক। বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

প্রাথমিক জীবন
অসীম সাহা ১৯৪৯ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণা জেলায় তার মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।তার পৈত্রিক নিবাস মাদারিপুর। তার পিতা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক। অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ

গ্রন্থতালিকা
পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায় (১৯৮২)
কালো পালকের নিচে (১৯৮৬)
পুনরুদ্ধার (১৯৯২)
উদ্বাস্তু (১৯৯৪)
মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি (২০০১)
অন্ধকারে মৃত্যুর উৎসব (২০০৬)
মুহূর্তের কবিতা (২০০৬)
Refujee and the festval of death in darkness (২০১০)
সৌর-রামায়ণ (২০১১)
অক্টাভিও পাস ও ডেরেক ওয়ালকটের কবিতা (অনুবাদ) (২০১১)
কবর খুঁড়ছে ইমাম (২০১১)
প্রেমপদাবলি (২০১১)
পুরনো দিনের ঘাসফুল (২০১২) (কবিতা)
প্রগতিশীল সাহিত্যের ধারা (১৯৭৬)
অগ্নিপুরুষ ডিরোজিও (১৯৯০)
উদাসীন দিন (উপন্যাস) (১৯৯২)
শ্মশানঘাটের মাটি গল্প (১৯৯৫)
কিলের চোটে কাঁঠাল পাকে (২০০২)
শেয়ালের ডিগবাজি (২০০৭)
হেনরি ডিরোজিও (২০১০)।

পুরস্কার সম্মাননা
আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৩)
ময়মনসিংহ সাহিত্য-সংস্কৃতি ফোরাম সম্মাননা (২০০৯)
সাতক্ষীরা জাতীয় কবিতা পরিষদ কবিসম্মাননা (২০১০)
কবিতাবাংলা কবিসম্মাননা (২০১০)
বিন্দুবিসর্গ কবিসম্মাননা (২০১১)
শৃন্বন্তু কবিসম্মাননা (কোলকাতা) (২০১১)
দিকচিহ্ন কবিসম্মাননা (২০১১)
কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর কবিসম্মাননা (২০১১)
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (২০১১)
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পুরস্কার (২০১২)
কবিতালাপ পুরস্কার (২০১২)
ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক (২০১৯)

10 মন্তব্য

  1. Having read this I believed it was extremely informative.

    I appreciate you finding the time and effort to put this article
    together. I once again find myself spending a significant amount of time both reading and leaving comments.

    But so what, it was still worthwhile!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে